বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
Headline :
দৌলতপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের পাইপলাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কাটা হলো ৫টি মানিকগঞ্জে গাঁজা-শিশা ও হুক্কাসহ আটক ১, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা মানিকগঞ্জে হয় মাদক কারবারী থাকবে , নয়তো আমরা থাকব’—মানিকগঞ্জে ডিবি ওসির হুঁশিয়ারি মানিকগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান সেই লগি-বৈঠার২৮ অক্টোবর উপলক্ষে টাঙ্গাইল জামায়াতের বিক্ষোভ-মিছিল দৌলতপুরের যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ২৭শো কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পাস শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাজীবন শেষ করেই চাকরি পাবে শিক্ষার্থীরা, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি- প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক চিকিৎসকদের অবহেলায় যেন কারও ক্ষতি না হয় -প্রতিমন্ত্রী টুকু

কালিয়াকৈরে ফায়ার সার্ভিসের সামনেই সরকারি বনের গাছ পাচার: নেপথ্যে বনকর্মী কার্তিক সিন্ডিকেট​

নান্নু মিয়া,স্টাফ রিপোর্টার:১৪ জুলাই-২০২৬,মঙ্গলবার।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে প্রকাশ্যেই সরকারি বনের গাছ কেটে বিক্রি ও পাচারের মহোৎসব চলছে।

বনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ মদদ ও সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঠ পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।​

সরেজমিনে কালিয়াকৈর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সম্মুখ এলাকায় গিয়ে বনাঞ্চল উজাড়ের এই চিত্র দেখা যায়।
দুপুরের দিকে ওই এলাকা থেকে চোরাই কাঠ বোঝাই একটি গাড়ি মূল সড়কে বের হতে দেখা যায়।​পরবর্তীতে ওই গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চালক অকপটে স্বীকার করেন যে, কালিয়াকৈর বনবিভাগের কর্মচারী কার্তিক দাশের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট এই অবৈধ গাছ বিক্রির মূল হোতা।

তিনি আরও জানান, বনকর্মী কার্তিকের সাথে দফারফা করে মাত্র ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে সরকারি বনের এই মূল্যবান গাছগুলো কিনে নিয়ে যাচ্ছেন তারা। মূলত স্পটেই টাকার বিনিময়ে বনবিভাগের কিছু অসাধু সদস্য এই চোরাই কাঠের গাড়িগুলো পার করে দেয়।​

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বনকর্মী কার্তিক দাশ ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে বনের গাছ কেটে বিক্রি করছেন। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন উপজেলার বনাঞ্চল উজাড় হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মক হুমকিতে পড়ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রক্ষকই যদি ভক্ষকের ভূমিকা পালন করে, তবে বন বাঁচানো অসম্ভব।​

এই বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা বন কর্মকর্তা (রেঞ্জ কর্মকর্তা) ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা জানান, সরকারি বনের গাছ কাটার সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে অভিযুক্ত কর্মচারী কার্তিক দাশসহ পুরো সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#####

দৈ.কা.কা/স্টাফ / নান্নু/

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page