বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
Headline :
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ২৭শো কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পাস শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাজীবন শেষ করেই চাকরি পাবে শিক্ষার্থীরা, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি- প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক চিকিৎসকদের অবহেলায় যেন কারও ক্ষতি না হয় -প্রতিমন্ত্রী টুকু দৌলতপুরের বাঘুটিয়ার চরাঞ্চলে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী লাঠি বাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর হোসেন শাহিনের নির্বাচনী প্রচারণা উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে যমুনা নদীতে অভিযানে ৫৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ। জন সম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস সিরাজগঞ্জে অটো রিকশাচালক কছিম উদ্দিন হত্যার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন আপন ভাইসহ গ্রেপ্তার-২ দৌলতপুরে যমুনা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে মোবাইল কোর্ট৷ পরিচালিত ,, ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে হলে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হবে, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি,মাদক ছাড়ো খেলাধুলা করতে মাঠে চলো , -এস এ জিন্নাহ কবীর এমপি

মানিকগঞ্জের জিন্নাহ কবিরকে ‘মন্ত্রী’ হিসেবে দেখতে চায়

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ ( দৌলতপুর -ঘিওর- শিবালয়) আসনে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির। বিজয়ের পর এখন মানিকগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে একটিই দাবি নদী ভাঙন কবলিত জনপদের সংসদ সদস্য হিসেবে জিন্নাহ কবিরকে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এলাকাবাসী প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ-১ আসনে মোট ৪ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৪ ভোটারের মধ্যে এস এ জিন্নাহ কবির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট। প্রায় ৬০ হাজার ভোটের এই বিশাল ব্যবধান প্রমাণ করে জিন্নাহ কবিরের প্রতি সাধারণ মানুষের গভীর ভালো বাসা ও আস্থা রয়েছে।

জেলা বিএনপি’র সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো: লোকমান হোসেন ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, “দৌলতপুর উপজেলা ৫ ইউনিয়ন ভয়াবহ নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত সড়ক যোগাযোগ নেই বললেই চলে । প্রতি বছর যমুনার করাল গ্রাসে ঐ এলাকার হাজার হাজার একর ফসলি জমি ও ভিটেমাটি বিলীন হয়ে যায়। এস এ জিন্নাহ কবির দীর্ঘ দুই যুগ ধরে রাজপথে থেকে সাধারণ মানুষের পাশে আছেন। আমরা বিএনপি হাই কমান্ডের কাছে আমাদের প্রাণের দাবি তাকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে হবে , যাতে তিনি এই এলাকার স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।”

ঘিওর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জামান মানিক ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জানে আলম বলেন,

“জিন্নাহ কবির শুধু একজন নেতা নন, তিনি এই অঞ্চলের মানুষের দুর্দিনের সাথী। আওয়ামী দুঃশাসনে প্রতিকূল সময়েও দলকে সংগঠিত করেছেন। নদী ভাঙন রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রিসভায় দেখা এখন মানিকগঞ্জবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।”

অত্র তিনটি উপজেলার এলাকার সাধারণ রিক্সাওয়ালা খেটে খাওয়া শ্রমিক ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদী ভাঙনই এই আসনের প্রধান সমস্যা। শিবালয় এলাকার একাধিক সাধারণ ভোটার বলেন, “আমরা তাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছি কারণ তিনি আমাদের দুঃখ বোঝেন। তিনি মন্ত্রী হলে আমাদের নদী পাড়ের মানুষের কান্না থামবে।”

মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় এলাকা নদী ভাঙন প্রবণ হওয়ায় একজন স্থানীয় ও দক্ষ অভিভাবক প্রয়োজন।

বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় তার গ্রহণযোগ্যতা এখন তুঙ্গে। মানিকগঞ্জ-১ আসনের বাসিন্দারা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বিএনপি হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তের দিকে, যেন তাদের প্রিয় নেতাকে জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণী ভূমিকায় দেখা যায়।####

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page