নিজস্ব প্রতিবেদক:২৫ আগস্ট-২০২৫,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১ নং, সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির বলেছেন, এবার যখন বালু মহলের ডাক দেয় তখন ডিসি মহোদয়কে বলেছিলাম এবং বালু মহলের যারা ব্যবসা করে তাদেরকে বলেছিলাম- এই বালু মহলে তোমরা কেউ অংশগ্রহণ করো না। আমার মনে হয় এক দুই এবং তিনবারের মাথায় কেউই অংশগ্রহণ করেন নাই। আমার কথায় কেউ অংশ গ্রহন করে নাই। এখন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন এত দুই নাম্বার এবং প্রত্যেক উপজেলা প্রশাসনরা এমন দুই নম্বর যে তারা এক লক্ষ টাকার লোভও সামলাতে পারে না। আমাদের যৌক্তিক আহবানকে অন্যায় ভাবে ওভারলক করে ওনার টেবিলে বসে উইথআউট টেন্ডার নোটিশ ছাড়া ঠিকাদার নিয়োগ করেছে। এটা তিনবার টেন্ডারের পরে।
আজ রবিবার( ২৪ আগস্ট) বিকালে মানিকগঞ্জের ঘিওরের শ্রীধর নগর / সিধুনগর বন্ধর বাজারে অবৈধ ড্রেজার বন্ধ ও নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, গতবার বালু মহাল ইজারা দেওয়ার কারণে শত-শত পরিবার ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। সরকারি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সীমানার বাইরে বালু কাটার কারণে পার্শ্ববর্তী এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুষ্ট লোকের চক্রান্তে সরকারি কোষাগারে এটিকে বালু মহল বানিয়ে রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, বালু মহালের যিনি ডাক নিয়েছেন ওনাদের বোঝার উচিত ছিল তিনবার সরকারি ডাকে কেউ অংশগ্রহণ করেন নাই আমি কেন ঐখানে যাব; নিশ্চয়ই এখানে কোন সমস্যা আছে। দেখেন ওই ভদ্রলোক কত অবিবেচক। আমি কারো গীবত গাই না-েঐ ভদ্রলোক খন্দকার বাবলুর সাথে থাকেন তার নাম টুটুল। টুটুলের ডাকের বিরুদ্ধে যখন আমি কথা বলতে গেছি- এখানে ডাক হবে না তখন বাবলু সাহেব, ডিসি এবং ইউএনও তদবির করে টুটুলের নামে রাতের অন্ধকারে কাজ দিয়েছে। অফিসিয়ালি টেন্ডার ড্রপ করে এ কাজ হয় নাই।
তিনি বলেন, ডাক নেওয়ার পর যখন ব্রডকাস্টিং হয়ে গেছে তখন আপনারা এলাকাবাসী মানববন্ধন করলেন। আমি অনেককেই বলেছি এ বালু মহালের শেয়ার যারা আমার সাথে রাজনীতি করে, যারা আন্দোলন করেছে, যারা এখনো মিছিল মিটিং করে, যারা ৩১ দফার প্রচারণায় আমার সাথে ঘুরেন তারা কিন্তু কেউ এখানে শেয়ার নেবা না। যারা শেয়ার নিয়েছে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড দেখবেন আপনারা- তারা কার সাথে ঘোরেন, কার রাজনীতি করেন। এগুলো দেখতে হবে আপনাদের।
তিনি আরো বলেন, যারা ডাক নিয়েছে তারা তাদের মত বালু কাটবে। আপনারা আপনাদের মত নিয়মতান্ত্রিকভাবে মানববন্ধন করেছেন। আমি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সেটা দেখেছি মোবাইলের মাধ্যমে। তারপরে যখন সন্ধ্যা বেলা শুনলাম ওখানে ড্রেজার নাকি কি যেন ভাসাইয়া দিছেন। আমার কথা হইল ঐটা আগুন দিয়ে পোড়াইয়া দিলেন না কেন। ওগুলা পুড়াইয়া দিতে হবে।
তিনি বলেন, জনগণের স্রোতের বাহিরে কোন শক্তি নাই। আমার নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন- জনগণের পাশে থাকবেন, জনগণকে পাশে রাখবেন। আপনারা গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে মানববন্ধন করে আপনাদের দাবী জানিয়েছেন তারপরেও কিভাবে, কোন সাহসে দুষ্টচক্র এখানে ড্রেজার রেখেছে। আমি যখন শুনলাম আপনাদের ১১ জনের নামে ওই ড্রেজার ব্যবসায়ীরা থানায় অভিযোগ দিয়েছে- আপনারা নাকি ড্রেজার ভাঙচুর ও তাদের লোকজনকে মারধর করেছেন। আমার কানে যখন কথা আসলো আমি তখন ফোন দিলাম এসপিকে (পুলিশ সুপার)। বললাম এ ঘটনা নিয়ে যদি কোন মামলা হয় তাহলে আমি লোকজন নিয়ে আপনার অফিস ঘেরাও করব।
তিনি আরো বলেন, অভিযোগ হয়েছে পুলিশ এসে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ঘটনা দেখে যাবে। আমার কথায় কোন মামলা হয় নাই। আপনারা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করবেন আমি আপনাদের পাশে আছি। এরপরেও যদি তারা সীমানার বাহিরে এসে বালু কাটে তাহলে তাদের বালু মহলের জমা দেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের আহবায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, জেলা বিএনপি সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো: লোকমান হোসেন, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, জেলা বিএনপি সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলার বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো : ফেরদৌস রহমান, ঘিওর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: জানে আলম, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: নাসির উদ্দিন, জেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি আবদুল খালেক সিকদার, ঘিওর উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো: রাজা মিয়া মেম্বার, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আসিফ ইকবাল রনি, যুগ্ম আহবায়ক আকরুজ্জামান আকতার, জেলা সে”ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল , জেলা যুবদলের সদস্য মো : মোসলেম উদ্দিন, শিবালয় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো: হোসেন আলী, জেলা যুবদল নেতা আমীর হামজা পিন্টু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইফ ছানোয়ার, পয়লা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো: মীর কালাম,সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রমূখ ।