মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
Headline :
নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রকল্পে সাশ্রয়ের নজির ১ কোটি ৩০ লাখ একজন দেশপ্রেমিক মানুষ কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারে না: পর্যটনমন্ত্রী দৌলতপুরে ধর্ষণের অভিযোগের ন্যায়বিচার না পেয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যার অভিযোগ পীরের ছেলের বিরুদ্ধে! কাজিপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি নেতাকে বহিষ্কারসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ সিরাজগঞ্জে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও ঢেউটিন বিতরণ সিরাজগঞ্জে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ- মামলা দায়ের সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সে আ’লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ ও বিজয় নিয়ে যা বললেন সাইদুর রহমান বাচ্চু ইন্ডিয়াতে যদি আন্দোলন করাতে পারি বাংলাদেশে এক মিনিটও সময় লাগবে না আপনাকে ফালাতে -এএসএম শাহরিয়ার কবীর সিরাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে চেক বিতরণ দৌলতপুরে উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে এমপি জিন্নাহ কবীরের মতবিনিময়

টাঙ্গাইলে আল্ট্রা সহযোগী এবং ল্যাব টেকনিশিয়ান দিয়ে চলছে ফেয়ার ক্লিনিক এন্ড হাসপাতাল 

মুক্তার হাসান, টাঙ্গাইল :
টাঙ্গাইলে আল্ট্রা সহযোগী এবং ল্যাব টেকনিশিয়ান দিয়ে চলছে ফেয়ার ক্লিনিক এন্ড হাসপাতাল। ডজনখানিক ডাক্তারের সাইনবোর্ড টানিয়ে চিকিৎসা সেবার কথা বলছে হসপিটাল কতৃপক্ষ। অপরদিকে হাসপাতালে ম্যানেজার বলছে নিয়মিত একজন ডাক্তার বসেন। সরেজমিনে গিয়ে তাউ দেখা মেলিনি সেই চিকিৎসকের। তিনি নাকি পূজার ছুটিতে আছেন।
রবিবার (২৯সেপ্টেম্বর)  বিকেলে দেখা যায় একজন ম্যানেজার তার কাউন্টারে বসে রয়েছে , একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান তার প্যাথলেজি বিভাগে বসে রয়েছে অপর দুজনের মধ্যে একজন আলট্রা রুমে বসে কাজ করছে এক নারী সহযোগী ।
জানা যায়, টাঙ্গাইলে দুটি সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে অসংখ্য অবৈধ ক্লিনিক, বেসরকারি হাসপাতাল  ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এতে বেশির ভাগই নেই প্রয়োজনীয় অনুমোদন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে পাওয়া যায় জেলায়  ৫৬০টি বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে ৫১টি অননুমোদিত রয়েছে। তারমধ্যে ফেয়ার হসপিটাল রয়েছে।
আব্দুল করিম বলেন হাসপাতালের পাশে অসংখ্য  ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। অথচ সরকারি হাসপাতালের চেয়ে ভালো মানের চিকিৎসা কোন বেসরকারি ক্লিনিক ও  হাসপাতালে নেই।
কাউসার হোসেন বলেন, সরকারি দুটি হাসপাতালের পাশ দিয়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক ও হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। এদের বেশির ভাগই ক্লিনিক ও হাসপাতালে  চিকিৎসা এবং প্যাথলজি পরীক্ষা ভালো নেই।
টাঙ্গাইলের নতুন বাস স্ট্যান্ডে ফেয়ার ক্লিনিক এন্ড হসপিটালের গাইনি চিকিৎসক ও সার্জন ডাক্তার চৈতি তালুকদার বলেন, ফেয়ার হসপিটালে আমি নিয়মিত বসি। বর্তমানে পূজার ছুটিতে আছি।
ফেয়ার ক্লিনিক এন্ড হসপিটালের পরিচালক আশীষ কুমার মালাকার বলেন,আমাদের ক্লিনিকে  অনেকগুলা শেয়ার হোল্ডার।  এরমধ্যে আওয়ামী লীগ-বিএনপি জামাতসহ বেশ কিছু লোকজন নিয়েই এই ক্লিনিকটি পরিচালিত হচ্ছে।
এছাড়া তিনি বলেন, হসপিটালের স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড রয়েছে। যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ডধারিরা বেশ কিছু সুবিধা পাবে। এরমধ্যে প্যাথলজি,এক্সরে, আল্ট্রা সহ অন্যান্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে ৩০ পারসেন্ট ছাড় পাবে। তবে এসব কার্ডধারি হতে হবে এনজিও সদস্যরা। এরমধ্যে কুইচবাড়ী চৌরাকড়া বাজারে সুখের বাতি এনজিওর সদস্য ইতিমধ্যেই প্রায় তিনশত স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড পেয়েছে।
সুমন আহমেদ বলেন, অসংখ্য  ক্লিনিক এবং  বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠলেও সরকারি হাসপাতালেই রোগী ভিড় করছে। এর ফলে রোগী নিয়ে ভোগান্তি লাঘবের জন্য রোগীর স্বজনরা বিকল্প অর্থাৎ বেসরকারি হাসপাতালেও ক্লিনিকে যাচ্ছে। এছাড়া
Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page