বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline :
দৌলতপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের পাইপলাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কাটা হলো ৫টি মানিকগঞ্জে গাঁজা-শিশা ও হুক্কাসহ আটক ১, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা মানিকগঞ্জে হয় মাদক কারবারী থাকবে , নয়তো আমরা থাকব’—মানিকগঞ্জে ডিবি ওসির হুঁশিয়ারি মানিকগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান সেই লগি-বৈঠার২৮ অক্টোবর উপলক্ষে টাঙ্গাইল জামায়াতের বিক্ষোভ-মিছিল দৌলতপুরের যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ২৭শো কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পাস শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাজীবন শেষ করেই চাকরি পাবে শিক্ষার্থীরা, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি- প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক চিকিৎসকদের অবহেলায় যেন কারও ক্ষতি না হয় -প্রতিমন্ত্রী টুকু

দৌলতপুরে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এস আই বিরুদ্ধে হয়রানি ও ৫ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: কমর উদ্দিন ও এসআই হাবিবুল্লাহ বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড, জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণ এবং ৫ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে গত কাল রবিবার ৩ মে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলার টেপরি গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান মিলনকে গত ৫ এপ্রিল দুপুরে কোনো লিখিত অভিযোগ ছাড়াই এসআই হাবিবুল্লা পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই চট্টগ্রাম থেকে আসা রিংকু চৌধুরী নামে এক নারী উপস্থিত ছিলেন, যিনি ২৪ লাখ টাকার দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর মেয়ে মনি রহমান অভিযোগ করেন, থানায় নেওয়ার পর তার বাবাকে ২৪ লাখ টাকা পরিশোধের শর্তে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে চাপ দেওয়া হয়। স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হাতকড়া পরিয়ে একটি কক্ষে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে জোরপূর্বক একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যেখানে নির্দিষ্ট তারিখে থানায় হাজির হওয়ার কথা বলে ছিল।

পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে থানায় গেলে তিনি জানতে পারেন, তার কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ওই স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, থানার ওসি তার বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন।

ঘটনার দিন ভুক্তভোগীর ছোট ছেলে আকাশ রহমান সুজন তার বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে আলাদা কক্ষে নিয়ে অশোভন আচরণ ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

দৌলতপুর থানার এসআই হাবিবুল্লার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: কমর উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পর্ক মিথ্যা বানোয়াট।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।####

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page