মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি ::::
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার পারমাস্তল খেয়াঘাট এলাকা থেকে চোলাই মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী মো: রাহাত (২০) তারেক জামিল (২৮) কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
আজ বুধবার ২০ রাতে দৌলতপুর থানাধীন পারমাস্তুল এলাকায় কালিগঙ্গা নদীর পশ্চিম পাড় খেয়া ঘাটের এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দৌলতপুর থানা পুলিশের এক পেশ বিজ্ঞপ্তিতে জানান,দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার সরকার এর দিকনির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, এসআই সৈয়দ হাবিবুল্লা সঙ্গীয় কনস্টেবল মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ নুরু ন্নবী, মামুন এক অভিযান পরিচালনা করে রাহাত (২০), পিতা-মোঃ ইনজাল শেখ, সাং-চকমিরপুর, থানা-দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ, মোঃ তারেক জামিল (২৮), পিতা-ওমর আলী, সাং-চকমিরপুর, থানা-দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জদ্বয়ের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ০১ (এক) লিটার চোলাই মদ, যাহার মূল্য অনুমান ১,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। অপর একজন আসামী শফি (৫৫), পিতা-মৃত ফয়েজ, সাং-পারমাস্তুল, থানা-দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ পালিয়ে যায়।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০/০৫/২০২৬ তারিখ ২২:০৫ ঘটিকার সময় দৌলতপুর থানাধীন পারমাস্তুল এলাকায় অবস্থান কালে গোপন সূত্রে সংবাদ পান যে, দৌলতপুর থানাধীন পারমাস্তুল এলাকায় কালিগঙ্গা নদীর পশ্চিম পাড় খেয়া ঘাটে মাদক ব্যবসায়ী মাদক চোলাই মদ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করিতেছে। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অফিসার ইনচার্জ সাহেবকে অবহিত করিয়া তাহার নির্দেশক্রমে উক্ত স্থানে পৌঁছাইলে পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া তিনজন ব্যক্তি দৌঁড়াইয়া পালানোর চেষ্টা কালে সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে ধৃত করেন এবং একজন ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়। উপস্থিত সাক্ষীগনের মোকাবেলায় ধৃত আসামীদ্বয়ের নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করিলে উপরে উল্লিখিত নাম ঠিকানা প্রকাশ করে এবং পলাতক আসামীর নাম শফি (৫৫), পিতা-মৃত ফয়েজ, সাং-পারমাস্তুল, থানা-দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ বলিয়া প্রকাশ করে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নিকট কোন মাদকদ্রব্য আছে কিনা জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তাহারা প্রথমে এলোমেলো কথাবার্তা বলে। অতঃপর ব্যাপকতর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দেহ তল্লাশীকালে ধৃত আসামী রাহাত ও মোঃ তারেক জামিল পৃথক দুটি সাদা পলিথিনে মধ্যে=০১ লিটার চোলাই মদ মূল্য অনুমান ১,০০০/- টাকা নিজ নিজ হাতে বের করে। পর্যাপ্ত টর্চ লাইটের আলোতে বাদী বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা প্রস্তুত করেন। ধৃত আসামীদ্বয় বর্ণিত চোলাই মদ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ দখলে রাখিয়াছে বলিয়া উল্লেখিত সাক্ষীদের সামনে স্বীকার করে। আসামীদ্বয় উক্ত এলাকায় অবৈধ নেশা জাতীয় মাদক দ্রব্য চোলাই মদের ব্যবসা করিয়া আসিতেছে বলিয়া জনশ্রুতি রয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারনির ২৪(ক)/৪১ ধারার অপরাধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি স্বপন কুমার সরকার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক ক্রয়কারী যেই হোক তাদের গ্রেফতার করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী যত প্রভাবশালী হোক না কেন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।
#####