বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
Headline :
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ২৭শো কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প পাস শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষাজীবন শেষ করেই চাকরি পাবে শিক্ষার্থীরা, সেই লক্ষ্যে কাজ করছি- প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রতিমন্ত্রী টুকুর উদ্যোগে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন টাঙ্গাইলের দুই যুবক চিকিৎসকদের অবহেলায় যেন কারও ক্ষতি না হয় -প্রতিমন্ত্রী টুকু দৌলতপুরের বাঘুটিয়ার চরাঞ্চলে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী লাঠি বাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর হোসেন শাহিনের নির্বাচনী প্রচারণা উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে যমুনা নদীতে অভিযানে ৫৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ। জন সম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস সিরাজগঞ্জে অটো রিকশাচালক কছিম উদ্দিন হত্যার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন আপন ভাইসহ গ্রেপ্তার-২ দৌলতপুরে যমুনা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে মোবাইল কোর্ট৷ পরিচালিত ,, ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে হলে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হবে, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি,মাদক ছাড়ো খেলাধুলা করতে মাঠে চলো , -এস এ জিন্নাহ কবীর এমপি

সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ে থমকে গেছে শিশু মাহির জীবন,চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩লাখ টাকা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ে থমকে গেছে ৭ বছরের মাহির শৈশব জীবন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের খামারগাতী গ্রামের ৭ বছরের শিশু মাহি এখন বেঁচে আছে তীব্র যন্ত্রণার নিয়ে। আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব-পায়খানাও করতে পারে না সে। চিকিৎসকরা বলেছেন, জরুরি অস্ত্রোপচার দরকার। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ৩ লাখ টাকা জোগাড় করা সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসার অভাবে থমকে আছে শিশু মাহির জীবন।

শিশু মাহির পরিবার সূত্রে জানাযায়,
গত বছরের শীতের এক দুর্ঘটনাই বদলে যায় মাহির জীবন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দাদার পকেট থেকে দিয়াশলাই নিয়ে আগুন জ্বালাতে গিয়েছিল সে। অসাবধানতাবশত পরনের জামায় আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ঝলসে যায় মাহির শরীরের নিচের অংশ।

ছোট্ট শিশু মাহি বলেন, আগুন লাগার পর থেকে আমার খুব ব্যথা হয়। প্রস্রাব করতে গেলে কান্না আসে।
স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ক্ষত শুকালেও নতুন জটিলতা দেখা দেয়। পোড়ার কারণে মাহির মূত্রনালীর পথ ধীরে ধীরে সরু হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মাহির নানী জানান,এখন ও টয়লেটে গেলেই ছটফট করে। ব্যথায় রাতেও ঘুমাতে পারে না। আগে মতো দৌড়াদৌড়ি করতে পারে না।
পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রোপচার করতে হবে। তা ছাড়া উপায় নেই। খরচ হবে প্রায় ৩ লাখ টাকা।
মাহির বাবা কারিম হোসেন দিনমজুর। দিন আনে দিন খায়। মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এমন অবস্থায় মেয়ের চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
মাহির দাদা বলেন,আমরা গরিব মানুষ। জমি-জিরাত নাই। মানুষের কাছে হাত না পাতলে মেয়েটারে বাঁচানো যাবে না। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাহির দাদি বলেন,
নাতনিটার মুখের দিকে তাকানো যায় না। আল্লাহ যেন ওরে সুস্থ করে দেয়।স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,এইটুকু বাচ্চাটার এমন অবস্থা দেখলে বুক ফেটে যায়। ওর তো এখন স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলার কথা। চিকিৎসা না হওয়ার কারনে দিন দিন শারীরিক ও মানসিক কষ্ট বাড়ছে মাহির। তার নিষ্পাপ চোখে এখন একটাই প্রশ্ন, সে কি আবার অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? নাকি চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাপিত হবে।
মাহির পরিবার ও স্থানীয়দের আকুল আবেদন, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক হৃদয়বান মানুষগুলো যেন এগিয়ে আসে। বিত্তবানদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো মাহির মুখে হাসি ফিরিয়ে দিতে পারে। আর তাকে দিতে পারে একটি নতুন জীবন।####

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page