টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশজুড়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্তের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল টাঙ্গাইল জেলা শাখা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
এসময় টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদ এমপি।
জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রকসি মেহেদীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু এবং জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদ এমপি বলেন, “আজকে আমাদের দেশ গড়ার সময়, আমাদের প্রতিবাদ করার সময় নয়। বিগত ১৭টি বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে আমরা মাঠে থেকেছি, এখন আমরা দেশ গড়ব। কিন্তু একটি সন্ত্রাসী ও পতিত সরকার এ দেশের মানুষকে ফেলে রেখে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ—যে দেশটি প্রতিটি মুহূর্ত বাংলাদেশকে শুধু গ্রাস করতে চেয়েছে, সেই দেশে গিয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন। আজকে সেখান থেকে বসে বসে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চান।” যতদিন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ততদিন পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ চলমান থাকবে।
তিনি আরো বলেন, “তিনি ভুলে গেছেন, ১৭টি বছর মানুষকে যে অত্যাচার, নির্যাতন, জুলুম করে গেছেন—সেই জুলুমের প্রতিটি বিচার একে একে এই বাংলাদেশে করা হবে। অলরেডি তাদের বিচার শুরু হয়ে গিয়েছে, তারপরেও কি করে বলেন ‘আমি বাংলাদেশে আসব’! আমরা তাকে বলি, আসুন বাংলাদেশে, আমরা দেখতে চাই আপনার কত সাহস। আমরা কখনও চাইনি বাংলাদেশে কোনো নৈরাজ্য হোক। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তারা শান্তিতে বাস করতে চায়। কিন্তু যখনই কোনো কালো হাতের থাবা বাংলাদেশে আসবে, সেই কালো হাতকে ভেঙে দিতে হবে। তার জন্য যা যা করা দরকার, আমরা তা-ই করব।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা ইতিহাসের নজিরবিহীন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি। ১৭ বছর তারা ক্ষমতার দাপটে অন্যায়-অবিচার করে ক্ষমতায় ছিল। গত ২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই সরকারের পতন হয় এবং পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছে এবং এ দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাধিক্য আসনে বিজয়ী করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে।”
তিনি সতর্ক করে আরো বলেন, “যখন এ দেশ একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে আসছিল এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও সেই গুপ্ত সংগঠন দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। আপনাদের সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। যারা বিগত ১৭ বছর এ দেশের জনগণের প্রতি অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, তারা রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। তারা যেন আর এই বাংলার মাটিতে না আসতে পারে। যারা দিবা স্বপ্ন দেখছেন যে আপনাদের নেত্রী বাংলাদেশে এসে আবারও রাজনীতি করবে, সে দিবা স্বপ্ন আপনাদের স্বপ্নই থেকে যাবে।”
সমাবেশের আগে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সংগঠনটির জেলা-উপজেলার নেত্রী ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশজুড়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্তের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল টাঙ্গাইল জেলা শাখা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
এসময় টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদ এমপি।
জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রকসি মেহেদীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু এবং জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহাম্মেদ এমপি বলেন, “আজকে আমাদের দেশ গড়ার সময়, আমাদের প্রতিবাদ করার সময় নয়। বিগত ১৭টি বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে আমরা মাঠে থেকেছি, এখন আমরা দেশ গড়ব। কিন্তু একটি সন্ত্রাসী ও পতিত সরকার এ দেশের মানুষকে ফেলে রেখে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ—যে দেশটি প্রতিটি মুহূর্ত বাংলাদেশকে শুধু গ্রাস করতে চেয়েছে, সেই দেশে গিয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন। আজকে সেখান থেকে বসে বসে বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চান।” যতদিন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ততদিন পর্যন্ত আমাদের প্রতিবাদ চলমান থাকবে।
তিনি আরো বলেন, “তিনি ভুলে গেছেন, ১৭টি বছর মানুষকে যে অত্যাচার, নির্যাতন, জুলুম করে গেছেন—সেই জুলুমের প্রতিটি বিচার একে একে এই বাংলাদেশে করা হবে। অলরেডি তাদের বিচার শুরু হয়ে গিয়েছে, তারপরেও কি করে বলেন ‘আমি বাংলাদেশে আসব’! আমরা তাকে বলি, আসুন বাংলাদেশে, আমরা দেখতে চাই আপনার কত সাহস। আমরা কখনও চাইনি বাংলাদেশে কোনো নৈরাজ্য হোক। বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, তারা শান্তিতে বাস করতে চায়। কিন্তু যখনই কোনো কালো হাতের থাবা বাংলাদেশে আসবে, সেই কালো হাতকে ভেঙে দিতে হবে। তার জন্য যা যা করা দরকার, আমরা তা-ই করব।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, “বিগত ১৭ বছর আমরা ইতিহাসের নজিরবিহীন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছি। ১৭ বছর তারা ক্ষমতার দাপটে অন্যায়-অবিচার করে ক্ষমতায় ছিল। গত ২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই সরকারের পতন হয় এবং পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছে এবং এ দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাধিক্য আসনে বিজয়ী করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে।”
তিনি সতর্ক করে আরো বলেন, “যখন এ দেশ একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে আসছিল এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আবারও সেই গুপ্ত সংগঠন দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। আপনাদের সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। যারা বিগত ১৭ বছর এ দেশের জনগণের প্রতি অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, তারা রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার হারিয়ে ফেলেছে। তারা যেন আর এই বাংলার মাটিতে না আসতে পারে। যারা দিবা স্বপ্ন দেখছেন যে আপনাদের নেত্রী বাংলাদেশে এসে আবারও রাজনীতি করবে, সে দিবা স্বপ্ন আপনাদের স্বপ্নই থেকে যাবে।”
সমাবেশের আগে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় সংগঠনটির জেলা-উপজেলার নেত্রী ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।