বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline :
দৌলতপুরের বাঘুটিয়ার চরাঞ্চলে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী লাঠি বাড়ি খেলা অনুষ্ঠিত দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর হোসেন শাহিনের নির্বাচনী প্রচারণা উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত দৌলতপুরে যমুনা নদীতে অভিযানে ৫৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ। জন সম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস সিরাজগঞ্জে অটো রিকশাচালক কছিম উদ্দিন হত্যার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন আপন ভাইসহ গ্রেপ্তার-২ দৌলতপুরে যমুনা নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে মোবাইল কোর্ট৷ পরিচালিত ,, ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দেশ ও জাতির উন্নয়ন করতে হলে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হবে, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি,মাদক ছাড়ো খেলাধুলা করতে মাঠে চলো , -এস এ জিন্নাহ কবীর এমপি মানিকগঞ্জে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় সভা ঘিওরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হা ডু ডু খেলা অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে ওস্তাদ মোহাম্মদ আলী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মাসুম ফুটবল একাডেমি কালের বিবর্তনে আবহমান হারিয়ে যাওয়া  গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হা ডু ডু খেলাকে ধরে রাখতে  গ্রাম গঞ্জে উদ্যোগ নিয়েছেন  মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য  এস এ জিন্নাহ কবীর

সারা দেশে ১০০টি ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ করা হবে :- কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক: : ২৭ আগস্ট-২০২৫,বুধবার।

উপদেষ্টা, কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, যেসব এলাকায় সব্জি বেশি হয়। প্রথমে সেসব এলাকায় ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ দেওয়া হবে। কৃষকরা যাতে উপকৃত হয় এবং ন্যায্য মূল্য পায় এর জন্য এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ১০০টি ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণ করা হচ্ছে। এরপর সারাদেশের জন্য আরেকটি প্রজেক্ট নেওয়া হবে।

বুধবার দুপুরে মানিকগঞ্জের সিংগাইরের মেদুলিয়ায় এলাকার সমন্বিত কৃষক উন্নয়ন সংঘকে মিনি কোল্ড স্টোরেজ বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় বাস্তবায়িত ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ১০০টি কৃষকের ছোট হিমাগার বিতরণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সিঙ্গাইরে মেদুলিয়া সমন্বিত কৃষক উন্নয়ন সংঘকে ছোট হিমাগারের চাবি হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো আজ। আজকের এই আয়োজন শুধু একটি প্রযুক্তি বিতরণ নয়, বরং কৃষি খাতে এক নতুন যুগের সূচনা। দীর্ঘদিন ধরে কৃষকেরা মৌসুমি সবজির ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এই হিমাগার কৃষকদের সেই দুঃখ ঘোচাবে। টেকসই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তি আমাদের কৃষিকে আধুনিকতার পথে এগিয়ে নেবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নতুন করে আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। সবজি সব এলাকাতে হয় না। যে সব এলাকায় সবজির উৎপাদন হয় সে সব স্থানে এই হিমাগার দেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সবজি বেশি উৎপাদিত হয়, সেসব এলাকায় এই হিমাগার স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন কৃষকেরা। এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন উপদেষ্টা জাহাঙ্গাীর আলম চৌধুরী। এর আগে তিনি প্রায় তিন শতাধিক কৃষকের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদের হাতে হিমাগারের চাবি তুলে দেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম, অধিদপ্তরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) মো. ওবায়দুর রহমান মণ্ডল, ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরুর, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রবীআহ নূর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

, ফারমারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ রক্ষানাবেক্ষনে দায়িত্বে থাকা কৃষক রহিম মিয়া বলেন প্রকল্পটি তাদের জন্য অনেক ভালো হয়েছে। কারন যখন সবজির দাম কমে যায় তখন কৃষকরা এই হিমাগারে সবজি রেখে পরবর্তীতে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তা বিক্রি করতে পারবেন। ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই হিমাগারে স্থানীয় ১৫ জন কৃষক রক্ষানাবেক্ষনের দায়িত্বে থাকবে। এই হিমাগারটি দিনে সৌরবিদ্যুত ও রাতে বিদ্যুতে চলবে । বিদ্যুত বিল বাবাদ কৃষকদের কাছ থেকে এক সপ্তাহের জন্য প্রতিকেজি সবজির জন্য দুই টাকা চার্জ ধরা হয়েছে। এক মাস দেখার পর বুঝা যাবে এই চার্জ বৃদ্ধি করা হবে না কমাতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মৌসুমি সময়ে প্রচুর সবজি ও ফল উৎপাদন করেন কৃষকেরা। কিন্তু অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে বাজারে দাম পড়ে যায়। এতে কৃষক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন এবং অনেক ক্ষেত্রে লোকসানের মুখে পড়েন। টমেটো, ফুলকপি, মরিচ, লাউ, শসা, বেগুন, চিচিঙ্গা, পেঁপে, আম, কুল, ড্রাগন ফলসহ নানা ধরনের সবজি ও ফল কয়েক দিনের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। এ বাস্তবতা মোকাবেলায় কৃষক পর্যায়ে ছোট আকারের, স্বল্প খরচে এবং আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক হিমাগারের প্রয়োজন ছিল। ভবিষ্যতে এ প্রকল্পকে আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ফসলের অপচয় হ্রাস এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে কৃষক পর্যায়ে ছোট হিমাগার বহুল ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশে এটাই প্রথম সরকারি উদ্যোগ যা সরাসরি কৃষকের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া হলো। সোলার সিস্টেমে চালিত হওয়ায় এগুলো পরিবেশবান্ধব এবং বিদ্যুৎ খরচে সাশ্রয়ী। বিশেষ সেন্সর ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এ হিমাগারের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা (হিউমিডিটি) নিয়ন্ত্রণ করা যায়। #########

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page