অপরদিকে জেলার কাজিপুর মেঘাই পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৩০ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ১৪.৮০ মিটার)। এ পয়েন্টে সোমবার ১৩ ও মঙ্গলবার ১৩ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের নূরুল হুদা, আব্দুর রাজ্জাক,আব্দুল খালেক ও বাবুল হোসেনসহ একাধিক কৃষক বলেন, আমরা শীতকালীন সবজির আবাদ শুরু করেছি। সবজির চারা বড় হতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় যমুনার পানি বাড়ছে। আমরা শঙ্কায় রয়েছি আরও পানি বাড়লে সবজি ক্ষেত প্লাবিত হয়ে চরম ক্ষতি হবে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে যমুনার পানি বাড়ছে। আরও দুই/একদিন পানি বাড়তে পারে। তবে এতে বিপৎসীমা অতিক্রমের কোন আশঙ্কা নেই। ###