শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
Headline :
মানিকগঞ্জে ২৫ পিস ইয়াবাসহ ফরিদ মেম্বার গ্রেফতার মানিকগঞ্জে সাগর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে ডিসি লেককে উন্নত মানের মিনি পর্যটন কেন্দ্র করার ঘোষণা -প্রতিমন্ত্রী টুকু মানিকগঞ্জে ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার দৌলতপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষ উভয় পক্ষের ৫ জন আহত।থানায় দুই পক্ষের অভিযোগ টাঙ্গাইলে দেলদুয়ারের নাটিয়াপাড়া বাজারে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান হবিগঞ্জে এনসিপি’র গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ শিবালয় উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য প্রভাবশালী চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠ চসে বেড়াচ্ছেন হাজী মিজানুর রহমান লিটন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে শালিসে ডেকে নিয়ে মারপিট মহিলাসহ আহত- ২ নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিলভিয়া স্নিগ্ধা মহোদয়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ঘিওরে পুলিশ সদস্য লাঞ্ছিত বিএনপির এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী বাবলুর কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক: :
মানিকগঞ্জের ঘিওর থানা পুলিশ সদস্যকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মানিকগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর)সন্ধায় ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কহিনুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর ঘিওর থানা পুলিশের সদস্য এ এস আই রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামীরা হলেন, খন্দকার বিল্টু (৪৬), জিএস সেলিম (৪৫), উজ্জল (৪০), মীর কাওসার (৫২), হারেজ (৫৮), রফিকুল ইসলাম পিন্টু (৫০), রাজু (৪৮), শফিউল আলম বিল্টু (৫৫) ও শহিদুল ইসলাম চান্দু (৫৫)। তারা সকলেই বিএনপির নেতা-কর্মী ও এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর অনুসারি।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বেলা সোয়া ৫ টার দিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মানিকগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার আকবর হোসেন বাবুল ও ঘিওর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর কাউসারের নেতৃত্বে একটি মোটরসাইকেলের বহর থানার ভিতরে প্রবেশ করে মোটরসাইলে রাখতে চায়। পরে থানা পুলিশের নারী কনস্টেবল আন্না আক্তার বিষয়টি ডিউটি অফিসার এ এস আই রফিকুল ইসলামকে অবগত করেন। পরে ডিউটি অফিসার রফিকের সঙ্গে বাবলু নেতা-কর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার হয় এবং পুলিশ সদস্যকে অকথ্য ভাষা গালাগাল করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এর পর জেলা বিএনপির নেতা খোন্দকার আকবর হোসেন বাবুল তার অনুসারিদের নিয়ে থানার ভেতর থেকে চলে যান।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ৫ টার দিকে মামলার অভিযুক্তরাসহ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর একটি মোটরসাইকেল বহর নিয়ে থানা কম্পাউন্ডের প্রবেশ গেইটের সামনে ১০ থেকে ১২ টি মোটরসাইলেক থানার ভেতরে প্রবেশ করে। বেআইনি জনতাবদ্ধে থানার প্রবেশ গেইটের ভেতরে অনিধিকার প্রবেশ করে মামলার বাদিসহ পুলিশকে উদ্দেশ্য করে অক্থ্যভাসায় গালিগালাজ করতে থাকে তারা। পুলিশের পক্ষ থেকে গালিগালাজ না করতে অনুরোধ করা হলেও মামলার অভিযুক্তরা তা মানে না। বরং পুলিশ সদস্য ও মামলার বাদি এএসআই রফিকুল ইসলামকে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধাক্কা দিয়ে আঘাত করে এবং ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করে। খরব পেয়ে ঘিওর থানার হলমোড় এলাকায় ডিউটিতে থাকা উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মাসুদ রানাসহ একটি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এসময় অভিযুক্তরা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন গালিগালাজ করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
এ ঘটনার পরে মামলার বাদি ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে তিনি বাদি হয়ে অভিযুক্ত ৯ জনসহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে বেআইন জনতাবদ্ধে থানা কম্পাউন্ডে অনধিকার প্রবেশ করে সরকারি কাজে বাধা দানের নিমিত্ত আক্রমন,ব ল প্রয়োগ ও আঘাত প্রদানের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মামলার বাদি ঘিওর থানা পুলিশের এ এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা (অভিযুক্তরা) হুট করেই থানার ভেতরে বেশকয়েটি মোটরসাইলে নিয়ে প্রবেশ করে বলে পেছনে নেতার (এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু) গাড়ি আছে। তাদের মোটরসাইলগুলো থানার ভেতরে না রাখতে অনুরোধ করি। কিন্তু অভিযুক্তরা আমাকে কথাই বলতে দেয়নি এবং আমাকে ঠেলে নিয়ে যায়। থানার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আমি এবং একজন নারী পুলিশ সদস্য ছিলাম। তারা অকথ্যভাষা গালিগালাজ করেছে। একটি রাজনৈতিক দলের (বিএনপি) নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে এমন আচরণ আমি কেন, দেশের কোন সাধারণ মানুষও প্রত্যাশা করে না। পরে বিষয়টি আমার উর্ধতন স্যারদের জানাই এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছি।
এ বিষয়ে ঘিওর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কহিনুর ইসলাম বলেন, গতকালের ঘটনায় থানা পুলিশের এএসআই রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে বলে তিনি জানান।######

 

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page