শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন
Headline :
মানিকগঞ্জে ২৫ পিস ইয়াবাসহ ফরিদ মেম্বার গ্রেফতার মানিকগঞ্জে সাগর হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে ডিসি লেককে উন্নত মানের মিনি পর্যটন কেন্দ্র করার ঘোষণা -প্রতিমন্ত্রী টুকু মানিকগঞ্জে ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার দৌলতপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষ উভয় পক্ষের ৫ জন আহত।থানায় দুই পক্ষের অভিযোগ টাঙ্গাইলে দেলদুয়ারের নাটিয়াপাড়া বাজারে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান হবিগঞ্জে এনসিপি’র গাড়ি বহরে হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ শিবালয় উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য প্রভাবশালী চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠ চসে বেড়াচ্ছেন হাজী মিজানুর রহমান লিটন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে শালিসে ডেকে নিয়ে মারপিট মহিলাসহ আহত- ২ নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিলভিয়া স্নিগ্ধা মহোদয়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দৌলতপুরে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এস আই বিরুদ্ধে হয়রানি ও ৫ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: কমর উদ্দিন ও এসআই হাবিবুল্লাহ বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড, জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণ এবং ৫ লক্ষ্য টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে গত কাল রবিবার ৩ মে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলার টেপরি গ্রামের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান মিলনকে গত ৫ এপ্রিল দুপুরে কোনো লিখিত অভিযোগ ছাড়াই এসআই হাবিবুল্লা পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই চট্টগ্রাম থেকে আসা রিংকু চৌধুরী নামে এক নারী উপস্থিত ছিলেন, যিনি ২৪ লাখ টাকার দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর মেয়ে মনি রহমান অভিযোগ করেন, থানায় নেওয়ার পর তার বাবাকে ২৪ লাখ টাকা পরিশোধের শর্তে একটি কাগজে স্বাক্ষর করতে চাপ দেওয়া হয়। স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হাতকড়া পরিয়ে একটি কক্ষে প্রায় এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে জোরপূর্বক একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যেখানে নির্দিষ্ট তারিখে থানায় হাজির হওয়ার কথা বলে ছিল।

পরবর্তীতে নির্ধারিত তারিখে থানায় গেলে তিনি জানতে পারেন, তার কাছ থেকে ২৪ লাখ টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে ওই স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, থানার ওসি তার বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং টাকা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন।

ঘটনার দিন ভুক্তভোগীর ছোট ছেলে আকাশ রহমান সুজন তার বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাকে আলাদা কক্ষে নিয়ে অশোভন আচরণ ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

দৌলতপুর থানার এসআই হাবিবুল্লার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: কমর উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পর্ক মিথ্যা বানোয়াট।

জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।####

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page