নিজস্ব প্রতিবেদক :::
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ নুরুল ইসলাম সোনাই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। নিয়মিত গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও নেতা কর্মীদের সাথে নিয়মিত মত বিনিময়ে যোগাযোগ ও গ্রামগঞ্জ চসে বেড়াচ্ছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সময় একাধিক মামলায় জেল জুলুম হয়রানি নির্যাতন শিকার হয়েছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি, যুবরাজনীতি ও কৃষক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছেন মোঃনুরুল ইসলাম সোনাই মিয়া। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি দৌলতপুর সরকারি মতিলাল ডিগ্রী কলেজের নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে দৌলতপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতা মরহুম তসলিম উদ্দিন এবং মাতা মরহুম উজালা।
এরপর তিনি দৌলতপুর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি দৌলতপুর উপজেলা কৃষকদলের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে মোঃ সোনাই মিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
মোঃ নুরুল ইসলাম সোনাই বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে আজমুল রাজনীতিতে এসে দাঁড়িয়েছে শুধু জনগণের ভালোবাসায় তাই আমি জনগণের সাথে মিশে থাকতে চাই এর জন্য আমি সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি। আমি আওয়ামী লীগের আমলের সর্বোচ্চ মামলার আসামি এবং বারবার কারা নির্যাতিত, আমার রাজনৈতিক জীবনে আমার দল( বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী) এবং জনগণ আমাকে সর্বোচ্চ দিয়েছে, তাই আমি দল এবং জনগণের প্রতি চির কৃতজ্ঞ, আমি আমার জীবনের বাকি সময়টা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং জনগণের পাশে থাকতে চাই।