,
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
আগামীতে৷ মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,বিশিষ্ট সমাজসেবক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,সৎ যোগ্য নিষ্ঠাবান,মাওলানা হাবিবুল্লাহ নোমানী গ্রামগঞ্জ, হাট বাজার,নির্বাচনী মাঠে-ঘাটে ব্যাপক গণ সংযোগ করে বেড়াচ্ছেন।
তিনি ইতিমধ্যে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের ওয়ার্ডের পর্যায়ে গণসংযোগের পাশাপাশি,পাড়া মহল্লায় গ্রামগঞ্জে হাটবাজারে রাস্তাঘাটে ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গিয়ে ব্যাপক সারা ফেলেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবে নদী ভাঙ্গন,প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য সহযোগিতা ও কৃষকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুল্লাহ নোমানী ।
তিনি দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতা আবু বক্কর সিদ্দিক।
তিনি সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল কেন্দ্রীয় সংসদ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মানিকগঞ্জ জেলা ওলামা দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গুরুত্বপূর্ণ নিষ্ঠার সাথে দলের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি রাজনীতি, সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মতে, দীর্ঘ দিন তিনি রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘদিন এই উপজেলার বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর এর সাথে রাজনৈতিক কর্মসূচি ,উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের ফলে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
সেই সুবাদে উপজেলার ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে তার বিশাল কর্মী বাহিনী ও বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। সেই কর্মীর ভোট মাওলানা হাবিবুল্লাহ নোমানী এর বাক্সেই যাবে বলে অভিজ্ঞ মহল ধারণা করছে।
তিনি বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় রাজনৈতিক ভাবে জেল-জুলুম মামলা হামলার শিকার হয়েছে।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের কারণে ভাইস – চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
তিনি দৌলতপুর উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুল্লাহ নোমানী বলেন, জনসেবা ও ন্যায় বৃত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংকল্প যার প্রতিনিধি হওয়ার,অধিকার আছে তার। মানবিক ও নৈতিকতা গুণাবলী সম্পন্ন সৎ যোগ্য জননন্দিত ব্যক্তিত্ব শান্তিময় সমাজ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ । আমি নির্বাচিত হলে আমার রাজনৈতিক অভিভাবক স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর এর সার্বিক সহযোগিতায় পরামর্শ গ্রহণ করে দৌলতপুরে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ করব। মাদক মুক্ত,চাঁদাবাজ মুক্ত,দুর্নীতি মুক্ত, ইভটিজিং বন্ধ করবো। অধিকার বঞ্চিত মেহনতি গরিব-দু:খী, খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের পাশে থাকবো। জনগণের সেবক হয়ে উন্নয়নের কাজ করতে চাই। গরিব ও দুঃস্থ মানুষের কাছ থেকে নিতে চাই না কিছু দিতে চাই।
আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে দৌলতপুর উপজেলা কে একটি আধুনিক মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলবো। সাধারণ ভোটার ও জনগণের কাছে ভোট ও দোয়া চাই। সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আমি নির্বাচিত হবো ইনশাল্লাহ।।
####