বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline :
মানিকগঞ্জের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু সিরাজগঞ্জে হেরোইন রাখার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ে থমকে গেছে শিশু মাহির জীবন,চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩লাখ টাকা টাঙ্গাইলে জুলাই অভ্যুত্থান দিবসে ১১ দলীয় ঐক্যের গণ মিছিল টাঙ্গাইলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ উজ্জল ফকির ভোটার ও জনসাধারণের সমর্থন ও দোয়া চান সিরাজগঞ্জে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত আটকা পড়ে কয়েক হাজার যাত্রীর দূর্ভোগ দৌলতপুরের চকমিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট ঠিকাদার মোহাম্মদ বাবুল হোসেন সকল ভোটার ও অসাধারণের সমর্থন ও দোয়া চান বেকড়া-আটগ্রাম ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন কোহিনূর মিয়া

সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ে থমকে গেছে শিশু মাহির জীবন,চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩লাখ টাকা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে আগুনে পুড়ে থমকে গেছে ৭ বছরের মাহির শৈশব জীবন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চিকিৎসায় প্রয়োজন ৩ লাখ টাকা।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের খামারগাতী গ্রামের ৭ বছরের শিশু মাহি এখন বেঁচে আছে তীব্র যন্ত্রণার নিয়ে। আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব-পায়খানাও করতে পারে না সে। চিকিৎসকরা বলেছেন, জরুরি অস্ত্রোপচার দরকার। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে ৩ লাখ টাকা জোগাড় করা সম্ভব না হওয়ায় চিকিৎসার অভাবে থমকে আছে শিশু মাহির জীবন।

শিশু মাহির পরিবার সূত্রে জানাযায়,
গত বছরের শীতের এক দুর্ঘটনাই বদলে যায় মাহির জীবন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দাদার পকেট থেকে দিয়াশলাই নিয়ে আগুন জ্বালাতে গিয়েছিল সে। অসাবধানতাবশত পরনের জামায় আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই ঝলসে যায় মাহির শরীরের নিচের অংশ।

ছোট্ট শিশু মাহি বলেন, আগুন লাগার পর থেকে আমার খুব ব্যথা হয়। প্রস্রাব করতে গেলে কান্না আসে।
স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ক্ষত শুকালেও নতুন জটিলতা দেখা দেয়। পোড়ার কারণে মাহির মূত্রনালীর পথ ধীরে ধীরে সরু হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মাহির নানী জানান,এখন ও টয়লেটে গেলেই ছটফট করে। ব্যথায় রাতেও ঘুমাতে পারে না। আগে মতো দৌড়াদৌড়ি করতে পারে না।
পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রোপচার করতে হবে। তা ছাড়া উপায় নেই। খরচ হবে প্রায় ৩ লাখ টাকা।
মাহির বাবা কারিম হোসেন দিনমজুর। দিন আনে দিন খায়। মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এমন অবস্থায় মেয়ের চিকিৎসা করানো তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
মাহির দাদা বলেন,আমরা গরিব মানুষ। জমি-জিরাত নাই। মানুষের কাছে হাত না পাতলে মেয়েটারে বাঁচানো যাবে না। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাহির দাদি বলেন,
নাতনিটার মুখের দিকে তাকানো যায় না। আল্লাহ যেন ওরে সুস্থ করে দেয়।স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,এইটুকু বাচ্চাটার এমন অবস্থা দেখলে বুক ফেটে যায়। ওর তো এখন স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলার কথা। চিকিৎসা না হওয়ার কারনে দিন দিন শারীরিক ও মানসিক কষ্ট বাড়ছে মাহির। তার নিষ্পাপ চোখে এখন একটাই প্রশ্ন, সে কি আবার অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে? নাকি চিকিৎসার অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে ধাপিত হবে।
মাহির পরিবার ও স্থানীয়দের আকুল আবেদন, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক হৃদয়বান মানুষগুলো যেন এগিয়ে আসে। বিত্তবানদের সামান্য সহযোগিতাই হয়তো মাহির মুখে হাসি ফিরিয়ে দিতে পারে। আর তাকে দিতে পারে একটি নতুন জীবন।####

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page